বাংলাদেশের ইতিহাসে পলিটিক্যাল কালচারে এমন মিতব্যয়ি প্রধানমন্ত্রী বোধহয় আর আগে কেউ দেখেনি।
ঘটনা কি হইছে শুনেন,
সংসদ ভবনে বাজেট পাসের পর প্রতিবছর অর্থ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে যে জমকালো নৈশভোজ হতো, এবার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তা সম্পূর্ণ বাতিল করা হয়েছে। ব্যয় সংকোচনের এই একটি সিদ্ধান্তেই সরকারের প্রায় ৫০ লাখ টাকা সাশ্রয় হয়েছে।
আজকে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন যে হিসাব দিছেন, সেটা শুনলে তো আপনাদের চোখ কপালে উঠবে।
বিগত শেখ হাসিনার আমলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শুধু আপ্যায়ন খাতেই নাকি প্রতিবছর গড়ে ৩০ থেকে ৫৫ কোটি টাকা ওড়ানো হইতো!
এখানেই শেষ না........!
প্রতি বছর নাকি আরও ১০-১২ কোটি টাকা "অতিরিক্ত" খরচ দেখানো হইতো।
যেমন, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে শুধু নাস্তা-পানিতেই গেছে ৩০ কোটি ২ লাখ ৯৭ হাজার ৩৩৫ টাকা!🙂
সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হলো, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন যে রাজকীয় খাবার সাপ্লাই দিতো, বিগত সরকার নাকি সেই বিশাল অঙ্কের বিলই পরিশোধ করে নাই! সেই বকেয়া বিলের বোঝা এখন এই বর্তমান সরকারকে শোধ করতে হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্বে এসেই প্রথম কোপটা দিয়েছেন এই বিলাসী আপ্যায়ন ভাতায়। এক্কেবারে কাটছাঁট করে এই রানিং মাসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আপ্যায়ন খরচ নামিয়ে এনেছেন মাত্র ১১ লাখ ৬৯ টাকায়!
কোথায় ৫০ কোটি আর কোথায় মাত্র ১১ লাখ! এমনকি দুই ঈদের মতো বড় রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানেও খরচ হয়েছে মাত্র ৯০ লাখ টাকার মতো।
শুধু খরচ কমানোই না, কাজের প্রতি ডেডিকেশনটাও দেখার মতো।
আজকে সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পাস হলো। সকাল পৌনে ১০টায় প্রধানমন্ত্রী সংসদে ঢুকছেন, পুরো সময় অধিবেশনে বসে সব তদারকি করছেন।
আর বিরতির সময় যখন সবাই একটু জিরিয়ে নেয়, উনি তখনো রুমে বসে জরুরি সব অফিশিয়াল ফাইল সই করছেন!
কাজের প্রতি এই ডেডিকেশন আসলেই প্রশংসার দাবিদার।
মানেহ, এক্কেবারে লিড বাই এক্সাম্পল কাকে বলে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেটাই করে দেখালেন!
সম্পাদক ও প্রকাশক - মোঃ আওলাদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ মিনহাজ উদ্দিন (শাহরিয়ার)
_______________________
কার্যালয়ের ঠিকানা : টঙ্গী থানা সংলগ্ন তালতলা রোড,মাছিমপুর,টঙ্গী,গাজীপুর সিটি করর্পোরেশন।
মোবাইল নম্বর: +৮৮০১৮১৭-৫১৭২৮৯, +৮৮০১৭৮২-১৭০৭৪১
ই-মেইল- Thedailydhakarkagoj.com@gmail.com
All rights reserved (Itsahreiar) © 2025