বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
যশোর চৌগাছায় আদালতের রায় অমান্য করে সাংবাদিকের জমি দখলের চেষ্টা ও হামলা: চৌগাছা থানায় সাধারণ ডায়েরি গাজীপুর-২ আসনে ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ পুলিশের চার্জশিটের পরও অভিযূক্তদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে অনীহা বিটিসিএল’র ‎ তুরাগ থানা বিএনপির সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক জাকির হোসেনের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার গাজীপুরে ধানের শীষের পক্ষে লিফলেট বিতরণে তাঁতি দলের নেতা সোহেল সিদ্দিকী ধানের শীষে ভোট দিবো, মিলেমিশে দেশ গড়বো”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে ঐক্যবদ্ধ প্রচার। গণসংযোগ: ৩৮নং ওয়ার্ড দক্ষিণ খাইলকুরের টঙ্গী পশ্চিম থানা তাঁতীদলের সভাপতি সোহেল সিদ্দিকীর পক্ষ থেকে মহিলা টিম টঙ্গী পাইলট স্কুল এন্ড গার্লস কলেজে গাজীপুর ২ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এম মনজুরুল করিম রনির সহধর্মিনী তাপসী তন্ময় তমা চৌধুরী উপস্থিতিতে প্রভাষক বসির উদ্দিন ভাই সকল শিক্ষক এবং শিক্ষিকাদের কাছে দোয়া চাইছেন গাজীপুরে মহিলা দলের উদ্যোগে উঠান বৈঠক, ধানের শীষে ভোট চাইলেন তাপসী তন্ময় চৌধুরী গাজীপুরের জনপ্রিয় জননেতা জনাব মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম দিপু এক বক্তব্যে বলেন,
Notice :
"Doinikprotidinertottho"  (দৈনিক প্রতিদিনের তথ্য) প্রতিদিন নতুন নতুন খবর বা তথ্য পরিবেশন করে থাকি আমরা। প্রতিদিনের তথ্য পাঠকদের কাছে পোঁছে দেয় ।

করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট: আগের থেকে কতটা ভিন্ন

প্রতিনিধির নাম: / ৫৫২ ভিউ:
আপডেট সময়: শুক্রবার, ১৩ জুন, ২০২৫, ৬:০৮ পূর্বাহ্ন

ডা. রিফাত আল মাজিদ

করোনাভাইরাসের আগের ভ্যারিয়েন্ট যেমন ডেলটা ও ওমিক্রন আমাদের অনেক ভয় দেখিয়েছে। সেগুলোর উপসর্গ ছিল তীব্র-উচ্চ জ্বর, শ্বাসকষ্ট, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া পর্যন্ত অবস্থা। কিন্তু বর্তমানে পাওয়া নতুন ভ্যারিয়েন্টগুলো (যেমন JN.1 বা FLiRT) আগের চেয়ে কিছুটা আলাদা আচরণ করছে।

প্রথম পার্থক্য হচ্ছে সংক্রমণের গতি। নতুন ভ্যারিয়েন্টগুলো অনেক দ্রুত ছড়ায়। একজন আক্রান্ত ব্যক্তি সহজেই অনেকজনকে সংক্রমিত করতে পারেন, এমনকি উপসর্গ হালকা থাকলেও। দ্বিতীয় বিষয়টি হলো লক্ষণ। নতুন ভ্যারিয়েন্টে সাধারণত হালকা উপসর্গ দেখা যায়-সর্দি, কাশি, হালকা জ্বর বা গলা ব্যথা। অনেক সময় মনে হয় এটি বুঝি সাধারণ ঠান্ডা, ফলে মানুষ অবহেলা করে বাইরে চলাফেরা করে, যা ভাইরাস ছড়ানোর ঝুঁকি বাড়ায়।

তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হলো ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা। আগের ভ্যারিয়েন্টগুলোতে ভ্যাকসিন খুব ভালোভাবে সুরক্ষা দিত, তবে নতুন ভ্যারিয়েন্টে ভাইরাসের গঠন কিছুটা বদলে যাওয়ায় পুরোনো টিকার কার্যকারিতা কিছুটা কমে যেতে পারে। যদিও ভ্যাকসিন এখনো মারাত্মক জটিলতা রোধে সহায়ক, তবু বুস্টার ডোজ নেওয়া বা টিকা হালনাগাদ করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

চতুর্থ পার্থক্যটি সচেতনতার ধরণে। আগের ভ্যারিয়েন্টের সময় মানুষ উপসর্গ বুঝলেই সতর্ক হতো, পরীক্ষা করাতো বা আলাদা থাকতো। কিন্তু এখন হালকা উপসর্গ দেখে অনেকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন না, ফলে ভাইরাস চুপিসারে ছড়িয়ে পড়ে। তাই নতুন ভ্যারিয়েন্ট মোকাবেলায় সচেতনতা আরও সূক্ষ্ম ও দায়িত্বশীল হতে হবে।

আগের ভয়াবহতা কমলেও নতুন ভ্যারিয়েন্টের দ্রুত সংক্রমণ ও হালকা উপসর্গের কারণে ঝুঁকি এখনো আছে। এই পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মানা, উপসর্গ দেখা দিলে পরীক্ষা করা এবং টিকা নেওয়ার মতো অভ্যাসগুলো আমাদের সুরক্ষার প্রধান হাতিয়ার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর