বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি মিনিবার নাইট ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল তলা থেকে লাফ দিয়ে তিন বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু আমাদের বিবেককে নাড়িয়ে দেয়। ০৪/০২/২৬ ইং তারিখ বাসন থানা পুলিশ কর্তৃক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করতঃ নিম্নলিখিত আসামীদের গ্রেফতার করিয়া বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর শোকবার্তা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গাজীপুর-২ আসনে বিএনপির গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-০১,ঢাকায় কর্মরত সহকারী পুলিশ সুপার শহীদ ওসমান হাদী হ*ত্যা মামলার সর্বশেষ অবস্থা জানিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের সংবাদ সম্মেলন।  যশোর চৌগাছায় আদালতের রায় অমান্য করে সাংবাদিকের জমি দখলের চেষ্টা ও হামলা: চৌগাছা থানায় সাধারণ ডায়েরি গাজীপুর-২ আসনে ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ পুলিশের চার্জশিটের পরও অভিযূক্তদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে অনীহা বিটিসিএল’র ‎
Notice :
"Doinikprotidinertottho"  (দৈনিক প্রতিদিনের তথ্য) প্রতিদিন নতুন নতুন খবর বা তথ্য পরিবেশন করে থাকি আমরা। প্রতিদিনের তথ্য পাঠকদের কাছে পোঁছে দেয় ।

তলা থেকে লাফ দিয়ে তিন বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু আমাদের বিবেককে নাড়িয়ে দেয়।

প্রতিনিধির নাম: / ২৮ ভিউ:
আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ন

৯ তলা থেকে লাফ দিয়ে তিন বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু আমাদের বিবেককে নাড়িয়ে দেয়।
সংগ্রহীত//
ভারতের উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে একই পরিবারের তিন কিশোরী বোন, বয়স ১২, ১৪ ও ১৬, একসঙ্গে একটি আবাসিক ভবনের ৯ তলা থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া সুইসাইড নোটে লেখা ছিল, “Mummy–Papa, sorry”। দুটি শব্দে ধরা পড়েছে এক গভীর অপরাধবোধ আর অসহনীয় মানসিক চাপ।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তিন বোনই অনলাইন গেমে অতিরিক্ত আসক্ত ছিল। গেম খেলা নিয়ে পরিবারের আপত্তি ও নিষেধাজ্ঞার পর তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত চলমান থাকলেও গেমিং আসক্তির মানসিক প্রভাব এই ট্র্যাজেডির পেছনে বড় কারণ হতে পারে। তথ্যসূত্র আরটিভি অনলাইন।

এই ঘটনা আমাদের জন্য কঠিন এক সতর্কবার্তা। আজকের শিশুরা খুব অল্প বয়সেই স্মার্টফোন, অনলাইন গেম ও ভার্চুয়াল দুনিয়ার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। অতিরিক্ত গেমিং মানসিক চাপ বাড়ায়, বাস্তব জীবন থেকে দূরে সরিয়ে দেয়, আবেগ নিয়ন্ত্রণ দুর্বল করে এবং হতাশা ও অপরাধবোধ তৈরি করে। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো, অনেক সময় শিশুরা তাদের কষ্টের কথা বলতেই পারে না।

সমাধান নিষেধাজ্ঞায় নয়, সচেতনতায়। গেম পুরোপুরি বন্ধ নয়, বরং সময় ও কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ জরুরি। অভিভাবকদের সন্তানের সঙ্গে বন্ধুর মতো কথা বলা দরকার। আচরণে হঠাৎ পরিবর্তন দেখলে দেরি না করে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সহায়তা নেওয়া উচিত। পরিবার ও স্কুলে ডিজিটাল সচেতনতা বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।

একটু বোঝাপড়া, একটু কথা বলা। হয়তো তাতেই বাঁচতে পারে অনেক প্রাণ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর