বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
বাংলাদেশের ইতিহাসে পলিটিক্যাল কালচারে এমন মিতব্যয়ি প্রধানমন্ত্রী বোধহয় আর আগে কেউ দেখেনি। বাংলাদেশের প্রস্তাবিত বাজেট: ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।সরকার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজা সহ দুইজনকে আটক করেছে গাজীপুর মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন চীনের চীনের পানি সম্পদমন্ত্রী লি গুয়িং (Li Guoying)। মানিকগঞ্জে স্কুলছাত্রীর দ্বিখণ্ডিত এসিডদগ্ধ লাশ উদ্ধার, রাজনীতি → রাষ্ট্রনীতি → অর্থনীতি → পেটনীতি: কোন দিকে যাবে বাংলাদেশ? টঙ্গীতে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য প্রতিরোধে যুবদলের মহাসড়কে অবস্থান ও প্রতিবাদ মিছিল তথ্য সংগ্রহে গিয়ে হামলার শিকার সাংবাদিক, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গাজীপুরে অবৈধ জ্বালানি তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মো: টঙ্গীতে জাল টাকাসহ দুই ব্যক্তি গ্রেপ্তার
Notice :
"Doinikprotidinertottho"  (দৈনিক প্রতিদিনের তথ্য) প্রতিদিন নতুন নতুন খবর বা তথ্য পরিবেশন করে থাকি আমরা। প্রতিদিনের তথ্য পাঠকদের কাছে পোঁছে দেয় ।

বাংলাদেশের প্রস্তাবিত বাজেট: ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।সরকার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে

প্রতিনিধির নাম: / ১ ভিউ:
আপডেট সময়: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪৫ অপরাহ্ন

বাংলাদেশের প্রস্তাবিত বাজেট: ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।সরকার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে
ট্যাক্স-ভ্যাট থেকে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি থাকছে।এই ঘাটতি পূরণ হয় কীভাবে?সরকার মূলত ঋণ নিয়ে এই ঘাটতি মেটায়। ঋণ আসে দুই জায়গা থেকে:১. অভ্যন্তরীণ ঋণ (দেশের ভিতর থেকে)বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকেকেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে (টাকা ছাপিয়ে)জনগণের কাছ থেকে (সঞ্চয়পত্র, ট্রেজারি বিল-বন্ড, প্রাইজবন্ড, সুকুক ইত্যাদি)কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নিলে সরকারের সরাসরি অতিরিক্ত খরচ কম হয়, কিন্তু নতুন টাকা বাজারে ঢুকলে ইনফ্লেশন বাড়ে। তাই এই পথে খুব বেশি যাওয়া হয় না।বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ঋণ নিলে বেসরকারি খাতে (প্রাইভেট সেক্টর) ঋণ কমে যায়। ফলে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।জনগণের কাছ থেকে ঋণ নেওয়া ব্যয়বহুল এবং পরিমাণেও সীমিত।২. বৈদেশিক ঋণবিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এডিবি, জাইকা ইত্যাদি থেকে ডলার ঋণ।সুবিধা: সুদের হার খুব কম, রিজার্ভ বাড়ে।অসুবিধা: কঠিন শর্ত (ভর্তুকি কমানো, খরচ কমানো ইত্যাদি)।তাহলে সরকার ঋণ নেয় কেন?শুধু আয় অনুযায়ী খরচ করলে (ব্যালেন্স বাজেট) দেশ চালানো যায়, কিন্তু তাতে বড় প্রকল্প, কর্মসংস্থান ও উন্নয়ন সম্ভব হয় না। ফলে বেকারত্ব বাড়ে, অর্থনীতি স্থবির হয় এবং সরকারের উপর চাপ বাড়ে।মূল কথা:
ঋণ নেওয়া খারাপ নয়। খারাপ হলো— ঋণের টাকা ভুল প্রকল্পে ব্যয় করা, অপচয় করা এবং দুর্নীতির মাধ্যমে পাচার করা। সঠিক জায়গায় বিনিয়োগ করলে ঋণ দেশের জন্য সম্পদে পরিণত হয়। মিনহাজ আবির বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সামরিক সংস্থার পক্ষ ও ইনফো টিভি চ্যানেলের পক্ষ থেকে প্রচারিত,


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর