বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
সুবিধাবঞ্চিতদের সাথে সব সময় পাশে থাকবে ‘আলোর পথে যুব ফাউন্ডেশন’ টঙ্গীর ব্যবসায়ী কামরুজ্জামানকে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর ক্ষোভ বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার, পদে ফিরলেন মোনোয়ার হোসেন খোকন ময়মনসিংহে জুলাই শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান টঙ্গী পাইলট স্কুল অ্যান্ড গার্লস কলেজের কলেজ শাখার ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষার বিষয় নিয়ে অভিভাবকদের নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ​বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দেশের ৮ অঞ্চলে যাত্রা শুরু করলো ‘আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট (AIII)’ গাজীপুর পূবাইলে ৭১ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের নবগঠিত অ্যাডহক কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত: সাধারণ সম্পাদক হলেন মোহাম্মদ ইসরাইল হাওলাদার জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার ও দুর্নীতিবাজদের শাস্তির দাবিতে টঙ্গীতে মানববন্ধন স্ত্রীর বিরুদ্ধে অপহরণ, নির্যাতন ও মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ; টঙ্গী পশ্চিম থানায় মামলা আবেদন
Notice :
"Doinikprotidinertottho"  (দৈনিক প্রতিদিনের তথ্য) প্রতিদিন নতুন নতুন খবর বা তথ্য পরিবেশন করে থাকি আমরা। প্রতিদিনের তথ্য পাঠকদের কাছে পোঁছে দেয় ।

করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট: আগের থেকে কতটা ভিন্ন

প্রতিনিধির নাম: / ৭৭৭ ভিউ:
আপডেট সময়: শুক্রবার, ১৩ জুন, ২০২৫, ৬:০৮ পূর্বাহ্ন

ডা. রিফাত আল মাজিদ

করোনাভাইরাসের আগের ভ্যারিয়েন্ট যেমন ডেলটা ও ওমিক্রন আমাদের অনেক ভয় দেখিয়েছে। সেগুলোর উপসর্গ ছিল তীব্র-উচ্চ জ্বর, শ্বাসকষ্ট, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া পর্যন্ত অবস্থা। কিন্তু বর্তমানে পাওয়া নতুন ভ্যারিয়েন্টগুলো (যেমন JN.1 বা FLiRT) আগের চেয়ে কিছুটা আলাদা আচরণ করছে।

প্রথম পার্থক্য হচ্ছে সংক্রমণের গতি। নতুন ভ্যারিয়েন্টগুলো অনেক দ্রুত ছড়ায়। একজন আক্রান্ত ব্যক্তি সহজেই অনেকজনকে সংক্রমিত করতে পারেন, এমনকি উপসর্গ হালকা থাকলেও। দ্বিতীয় বিষয়টি হলো লক্ষণ। নতুন ভ্যারিয়েন্টে সাধারণত হালকা উপসর্গ দেখা যায়-সর্দি, কাশি, হালকা জ্বর বা গলা ব্যথা। অনেক সময় মনে হয় এটি বুঝি সাধারণ ঠান্ডা, ফলে মানুষ অবহেলা করে বাইরে চলাফেরা করে, যা ভাইরাস ছড়ানোর ঝুঁকি বাড়ায়।

তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হলো ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা। আগের ভ্যারিয়েন্টগুলোতে ভ্যাকসিন খুব ভালোভাবে সুরক্ষা দিত, তবে নতুন ভ্যারিয়েন্টে ভাইরাসের গঠন কিছুটা বদলে যাওয়ায় পুরোনো টিকার কার্যকারিতা কিছুটা কমে যেতে পারে। যদিও ভ্যাকসিন এখনো মারাত্মক জটিলতা রোধে সহায়ক, তবু বুস্টার ডোজ নেওয়া বা টিকা হালনাগাদ করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

চতুর্থ পার্থক্যটি সচেতনতার ধরণে। আগের ভ্যারিয়েন্টের সময় মানুষ উপসর্গ বুঝলেই সতর্ক হতো, পরীক্ষা করাতো বা আলাদা থাকতো। কিন্তু এখন হালকা উপসর্গ দেখে অনেকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন না, ফলে ভাইরাস চুপিসারে ছড়িয়ে পড়ে। তাই নতুন ভ্যারিয়েন্ট মোকাবেলায় সচেতনতা আরও সূক্ষ্ম ও দায়িত্বশীল হতে হবে।

আগের ভয়াবহতা কমলেও নতুন ভ্যারিয়েন্টের দ্রুত সংক্রমণ ও হালকা উপসর্গের কারণে ঝুঁকি এখনো আছে। এই পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মানা, উপসর্গ দেখা দিলে পরীক্ষা করা এবং টিকা নেওয়ার মতো অভ্যাসগুলো আমাদের সুরক্ষার প্রধান হাতিয়ার।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর