বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
টঙ্গীর ব্যবসায়ী কামরুজ্জামানকে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর ক্ষোভ বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার, পদে ফিরলেন মোনোয়ার হোসেন খোকন ময়মনসিংহে জুলাই শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান টঙ্গী পাইলট স্কুল অ্যান্ড গার্লস কলেজের কলেজ শাখার ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষার বিষয় নিয়ে অভিভাবকদের নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ​বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দেশের ৮ অঞ্চলে যাত্রা শুরু করলো ‘আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট (AIII)’ গাজীপুর পূবাইলে ৭১ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের নবগঠিত অ্যাডহক কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত: সাধারণ সম্পাদক হলেন মোহাম্মদ ইসরাইল হাওলাদার জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার ও দুর্নীতিবাজদের শাস্তির দাবিতে টঙ্গীতে মানববন্ধন স্ত্রীর বিরুদ্ধে অপহরণ, নির্যাতন ও মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ; টঙ্গী পশ্চিম থানায় মামলা আবেদন টঙ্গী স্টেডিয়ামের সামনে ময়লার ভাগার বন্ধের দাবিতে জামায়াতে ইসলামীর মানববন্ধন
Notice :
"Doinikprotidinertottho"  (দৈনিক প্রতিদিনের তথ্য) প্রতিদিন নতুন নতুন খবর বা তথ্য পরিবেশন করে থাকি আমরা। প্রতিদিনের তথ্য পাঠকদের কাছে পোঁছে দেয় ।

তলা থেকে লাফ দিয়ে তিন বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু আমাদের বিবেককে নাড়িয়ে দেয়।

প্রতিনিধির নাম: / ৩৬৭ ভিউ:
আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ন

৯ তলা থেকে লাফ দিয়ে তিন বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু আমাদের বিবেককে নাড়িয়ে দেয়।
সংগ্রহীত//
ভারতের উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে একই পরিবারের তিন কিশোরী বোন, বয়স ১২, ১৪ ও ১৬, একসঙ্গে একটি আবাসিক ভবনের ৯ তলা থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া সুইসাইড নোটে লেখা ছিল, “Mummy–Papa, sorry”। দুটি শব্দে ধরা পড়েছে এক গভীর অপরাধবোধ আর অসহনীয় মানসিক চাপ।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তিন বোনই অনলাইন গেমে অতিরিক্ত আসক্ত ছিল। গেম খেলা নিয়ে পরিবারের আপত্তি ও নিষেধাজ্ঞার পর তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত চলমান থাকলেও গেমিং আসক্তির মানসিক প্রভাব এই ট্র্যাজেডির পেছনে বড় কারণ হতে পারে। তথ্যসূত্র আরটিভি অনলাইন।

এই ঘটনা আমাদের জন্য কঠিন এক সতর্কবার্তা। আজকের শিশুরা খুব অল্প বয়সেই স্মার্টফোন, অনলাইন গেম ও ভার্চুয়াল দুনিয়ার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। অতিরিক্ত গেমিং মানসিক চাপ বাড়ায়, বাস্তব জীবন থেকে দূরে সরিয়ে দেয়, আবেগ নিয়ন্ত্রণ দুর্বল করে এবং হতাশা ও অপরাধবোধ তৈরি করে। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো, অনেক সময় শিশুরা তাদের কষ্টের কথা বলতেই পারে না।

সমাধান নিষেধাজ্ঞায় নয়, সচেতনতায়। গেম পুরোপুরি বন্ধ নয়, বরং সময় ও কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ জরুরি। অভিভাবকদের সন্তানের সঙ্গে বন্ধুর মতো কথা বলা দরকার। আচরণে হঠাৎ পরিবর্তন দেখলে দেরি না করে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সহায়তা নেওয়া উচিত। পরিবার ও স্কুলে ডিজিটাল সচেতনতা বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।

একটু বোঝাপড়া, একটু কথা বলা। হয়তো তাতেই বাঁচতে পারে অনেক প্রাণ।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর