সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
সুবিধাবঞ্চিতদের সাথে সব সময় পাশে থাকবে ‘আলোর পথে যুব ফাউন্ডেশন’ টঙ্গীর ব্যবসায়ী কামরুজ্জামানকে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর ক্ষোভ বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার, পদে ফিরলেন মোনোয়ার হোসেন খোকন ময়মনসিংহে জুলাই শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান টঙ্গী পাইলট স্কুল অ্যান্ড গার্লস কলেজের কলেজ শাখার ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষার বিষয় নিয়ে অভিভাবকদের নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ​বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দেশের ৮ অঞ্চলে যাত্রা শুরু করলো ‘আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট (AIII)’ গাজীপুর পূবাইলে ৭১ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের নবগঠিত অ্যাডহক কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত: সাধারণ সম্পাদক হলেন মোহাম্মদ ইসরাইল হাওলাদার জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার ও দুর্নীতিবাজদের শাস্তির দাবিতে টঙ্গীতে মানববন্ধন স্ত্রীর বিরুদ্ধে অপহরণ, নির্যাতন ও মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ; টঙ্গী পশ্চিম থানায় মামলা আবেদন
Notice :
"Doinikprotidinertottho"  (দৈনিক প্রতিদিনের তথ্য) প্রতিদিন নতুন নতুন খবর বা তথ্য পরিবেশন করে থাকি আমরা। প্রতিদিনের তথ্য পাঠকদের কাছে পোঁছে দেয় ।

মাদ্রাসায় মারধর, বাসি খাবার ও ফি জিম্মির অভিযোগ; কর্তৃপক্ষের অস্বীকার

প্রতিনিধির নাম: / ২৮১ ভিউ:
আপডেট সময়: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩০ অপরাহ্ন

মাদ্রাসায় মারধর, বাসি খাবার ও ফি জিম্মির অভিযোগ; কর্তৃপক্ষের অস্বীকার
জেলা প্রতিনিধি/ লিজা আক্তার
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় একটি মহিলা মাদ্রাসার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের মারধর, বাসি ও অস্বাস্থ্যকর খাবার সরবরাহ এবং বকেয়া ফি আদায়ে জিম্মি করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি ঘিরে এলাকায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। অভিভাবক ও স্থানীয়রা দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত ফাতেমাতুয যাহরা (রা:) মহিলা মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের নিম্নমানের ও বাসি খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে। এসব খাবার খেয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মাদ্রাসাটির এক সাবেক রান্নাকর্মী (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানান, খাবারের নিম্নমান নিয়ে প্রতিবাদ করায় তাকে চাকরি ছাড়তে বাধ্য করা হয়। তার ভাষায়, “খাবারের মান এতটাই খারাপ ছিল যে একে খাবার বলা যায় না।”
সাম্প্রতিক এক ঘটনায় ফাহিমা আক্তার নামে এক শিক্ষার্থীকে ঘিরে অভিযোগ সামনে আসে। তার মায়ের দাবি, ২,৫০০ টাকা ভর্তি ফি’র মধ্যে ১,০০০ টাকা পরিশোধ করে মেয়েকে ভর্তি করানো হয় এবং বাকি টাকা পরে দেওয়ার কথা ছিল। তবে কয়েকদিন পর মেয়েকে দেখতে গেলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বাধা দেয়। পরে জোর করে দেখা করলে শিশুটিকে অসুস্থ ও দুর্বল অবস্থায় পাওয়া যায়।
অভিযোগ রয়েছে, মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে যেতে চাইলে বাকি ১,৫০০ টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত তাকে ছাড়তে অস্বীকৃতি জানায় কর্তৃপক্ষ। এমনকি হুমকিও দেওয়া হয় বলে দাবি করেন ওই অভিভাবক। পরে ধার করে টাকা পরিশোধ করে মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে যান তিনি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদ্রাসাটির বৈধ নিবন্ধন বা সরকারি স্বীকৃতি রয়েছে কিনা তা স্পষ্ট নয়। দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও দাবি তাদের।
প্রসঙ্গত, “শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক শাস্তি রহিতকরণ নীতিমালা-২০১১” অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের ওপর যেকোনো ধরনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এছাড়া শিশু আইন, ২০১৩-এর ধারা ৭০ অনুযায়ী, শিশুদের ওপর নির্যাতন দণ্ডনীয় অপরাধ; এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, প্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের নির্যাতন বা অনিয়ম ঘটেনি।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় থানা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এলাকাবাসী দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন ও জবাবদিহির আওতায় আনা জরুরি।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর